নবম-দশম শ্রেণির গণিত

১৭টি অধ্যায় থেকে প্রতিটিতে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন — উত্তর দেখতে বাটনে ক্লিক করো

অধ্যায়সমূহ

  1. বাস্তব সংখ্যা
  2. সেট ও ফাংশন
  3. বীজগণিতীয় রাশি
  4. সূচক ও লগারিদম
  5. এক চলকবিশিষ্ট সমীকরণ
  6. রেখা, কোণ ও ত্রিভুজ
  7. ব্যবহারিক জ্যামিতি
  8. বৃত্ত
  9. ত্রিকোণমিতিক অনুপাত
  10. দূরত্ব ও উচ্চতা
  11. বীজগণিতীয় অনুপাত-সমানুপাত
  12. দ্বিচরবিশিষ্ট সরল সহসমীকরণ
  13. সসীম ধারা
  14. অনুপাত, সদৃশতা ও প্রতিসমতা
  15. ক্ষেত্রফল সম্পর্কিত উপপাদ্য ও সম্পাদ্য
  16. পরিমিতি
  17. পরিসংখ্যান

অধ্যায় ১: বাস্তব সংখ্যা

১মূলদ সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তর দেখো
যে সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায়, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0, তাকে মূলদ সংখ্যা বলে।
২অমূলদ সংখ্যার একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর দেখো
√2 একটি অমূলদ সংখ্যা (π ও e-ও অমূলদ সংখ্যার উদাহরণ)।
৩ভাজক উপপাদ্যটি লেখো।
উত্তর দেখো
যদি a ও b দুটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হয় (b ≠ 0), তবে এমন অনন্য পূর্ণসংখ্যা q ও r বিদ্যমান যাতে a = bq + r, যেখানে 0 ≤ r < b।
৪আবৃত্ত দশমিক ভগ্নাংশ কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর দেখো
যে দশমিক ভগ্নাংশে এক বা একাধিক অঙ্ক নির্দিষ্ট নিয়মে বারবার পুনরাবৃত্তি হয়, তাকে আবৃত্ত দশমিক ভগ্নাংশ বলে। উদাহরণ: 0.333… = 1/3।
৫দুটি মূলদ সংখ্যার মধ্যে কতটি মূলদ সংখ্যা থাকে?
উত্তর দেখো
দুটি মূলদ সংখ্যার মধ্যে অসংখ্য মূলদ সংখ্যা থাকে।

অধ্যায় ২: সেট ও ফাংশন

১সেট কাকে বলে?
উত্তর দেখো
সুনির্দিষ্ট ও স্বতন্ত্র বস্তু বা উপাদানের সংগ্রহকে সেট বলে।
২ফাঁকা সেট কী এবং এর প্রতীক কী?
উত্তর দেখো
যে সেটে কোনো উপাদান নেই তাকে ফাঁকা সেট বলে। এর প্রতীক ∅ বা { }।
৩A∩B = ∅ হলে A ও B সেটদ্বয়কে কী বলা হয়?
উত্তর দেখো
A ও B-কে নিশ্ছেদ সেট (disjoint sets) বলা হয়, কারণ তাদের কোনো সাধারণ উপাদান নেই।
৪ফাংশনের ডোমেন কী?
উত্তর দেখো
ফাংশনের ডোমেন হলো সেই সেট, যার প্রতিটি উপাদানের জন্য ফাংশনটি একটি নির্দিষ্ট মান (ইমেজ) নির্ধারণ করে — অর্থাৎ ইনপুট মানের সেট।
৫n(A)=5, n(B)=7, n(A∩B)=3 হলে n(A∪B) কত?
উত্তর দেখো
n(A∪B) = n(A)+n(B)−n(A∩B) = 5+7−3 = 9।

অধ্যায় ৩: বীজগণিতীয় রাশি

১(a+b)² এর সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
(a+b)² = a² + 2ab + b²
২a³ − b³ কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখো
a³ − b³ = (a − b)(a² + ab + b²)
৩গ.সা.গু কাকে বলে?
উত্তর দেখো
দুই বা ততোধিক রাশির সাধারণ উৎপাদকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মানবিশিষ্ট রাশিকে গ.সা.গু (গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক) বলে।
৪x² − 9 কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখো
x² − 9 = (x − 3)(x + 3)
৫দুটি রাশির গ.সা.গু ও ল.সা.গু-এর গুণফল কীসের সমান?
উত্তর দেখো
দুটি রাশির গ.সা.গু ও ল.সা.গু-এর গুণফল রাশিদ্বয়ের গুণফলের সমান।

অধ্যায় ৪: সূচক ও লগারিদম

১aᵃ × aᵇ = কত?
উত্তর দেখো
aᵃ × aᵇ = a^(a+b)
২log_a a এর মান কত?
উত্তর দেখো
log_a a = 1
৩যেকোনো ভিত্তিতে log 1 এর মান কত?
উত্তর দেখো
log 1 = 0 (যেকোনো ভিত্তির জন্য)
৪a⁰ এর মান কত (a ≠ 0)?
উত্তর দেখো
a⁰ = 1
৫log(ab) কীভাবে প্রকাশ করা হয়?
উত্তর দেখো
log(ab) = log a + log b

অধ্যায় ৫: এক চলকবিশিষ্ট সমীকরণ

১দ্বিঘাত সমীকরণের সাধারণ আকার লেখো।
উত্তর দেখো
ax² + bx + c = 0, যেখানে a ≠ 0।
২দ্বিঘাত সমীকরণের মূল নির্ণয়ের সূত্রটি লেখো।
উত্তর দেখো
x = [−b ± √(b²−4ac)] / 2a
৩x² − 5x + 6 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় নির্ণয় করো।
উত্তর দেখো
(x−2)(x−3)=0 থেকে x = 2, 3।
৪ax²+bx+c=0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের সমষ্টি ও গুণফল কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
উত্তর দেখো
মূলদ্বয়ের সমষ্টি = −b/a, মূলদ্বয়ের গুণফল = c/a।
৫নিশ্চায়ক (Discriminant) এর সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
নিশ্চায়ক, D = b² − 4ac।

অধ্যায় ৬: রেখা, কোণ ও ত্রিভুজ

১সম্পূরক কোণ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
দুটি কোণের সমষ্টি ১৮০° হলে কোণগুলোকে পরস্পর সম্পূরক কোণ বলে।
২পূরক কোণ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
দুটি কোণের সমষ্টি ৯০° হলে কোণগুলোকে পরস্পর পূরক কোণ বলে।
৩ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি কত?
উত্তর দেখো
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০°।
৪সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
যে ত্রিভুজের যেকোনো দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান, তাকে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলে।
৫বিপ্রতীপ কোণ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
দুটি সরলরেখা পরস্পর ছেদ করলে উৎপন্ন বিপরীত দিকের কোণজোড়াকে বিপ্রতীপ কোণ বলে; এরা পরস্পর সমান।

অধ্যায় ৭: ব্যবহারিক জ্যামিতি

১ত্রিভুজ অঙ্কনের জন্য কতটি স্বাধীন উপাত্ত প্রয়োজন?
উত্তর দেখো
ত্রিভুজ অঙ্কনের জন্য কমপক্ষে তিনটি স্বাধীন উপাত্তের (যেমন তিন বাহু, বা দুই বাহু ও তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ) প্রয়োজন।
২সমান ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট চিত্র কাকে বলে?
উত্তর দেখো
যে দুটি বা ততোধিক চিত্রের ক্ষেত্রফল পরিমাণে সমান, কিন্তু আকার ভিন্ন হতে পারে, তাদের সমান ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট চিত্র বলে।
৩ত্রিভুজ অঙ্কনের একটি শর্ত লেখো।
উত্তর দেখো
ত্রিভুজের কোনো দুটি বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হতে হবে।
৪সামান্তরিক কাকে বলে?
উত্তর দেখো
যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল, তাকে সামান্তরিক বলে।
৫কোণ অঙ্কনে কোন জ্যামিতিক যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
উত্তর দেখো
প্রটাক্টর ও কম্পাস কোণ অঙ্কনে ব্যবহৃত হয়।

অধ্যায় ৮: বৃত্ত

১বৃত্তের ব্যাস ও ব্যাসার্ধের সম্পর্ক লেখো।
উত্তর দেখো
ব্যাস = ২ × ব্যাসার্ধ।
২জ্যা কাকে বলে?
উত্তর দেখো
বৃত্তের পরিধির ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোগকারী রেখাংশকে জ্যা বলে।
৩স্পর্শক কাকে বলে?
উত্তর দেখো
যে সরলরেখা বৃত্তকে একটিমাত্র বিন্দুতে ছেদ করে, তাকে স্পর্শক বলে।
৪কেন্দ্রীয় কোণ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
বৃত্তের কেন্দ্রে কোনো চাপের সাহায্যে উৎপন্ন কোণকে কেন্দ্রীয় কোণ বলে।
৫একই চাপের উপর অবস্থিত বৃত্তস্থ কোণগুলোর সম্পর্ক কী?
উত্তর দেখো
একই চাপের উপর অবস্থিত বৃত্তস্থ কোণগুলো পরস্পর সমান।

অধ্যায় ৯: ত্রিকোণমিতিক অনুপাত

১sinθ এর সংজ্ঞা দাও।
উত্তর দেখো
সমকোণী ত্রিভুজে, sinθ = লম্ব/অতিভুজ (বিপরীত বাহু ÷ অতিভুজ)।
২sin²θ + cos²θ এর মান কত?
উত্তর দেখো
sin²θ + cos²θ = 1
৩tanθ-কে sinθ ও cosθ-এর মাধ্যমে প্রকাশ করো।
উত্তর দেখো
tanθ = sinθ / cosθ
৪sin30° এর মান কত?
উত্তর দেখো
sin30° = 1/2
৫cos90° এর মান কত?
উত্তর দেখো
cos90° = 0

অধ্যায় ১০: দূরত্ব ও উচ্চতা

১উন্নয়ন কোণ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
পর্যবেক্षকের চোখ থেকে অনুভূমিক রেখার উপরে কোনো বিন্দুর দিকে দৃষ্টিরেখার সাথে অনুভূমিক রেখার যে কোণ উৎপন্ন হয়, তাকে উন্নয়ন কোণ বলে।
২অবনতি কোণ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
পর্যবেক্ষকের চোখ থেকে অনুভূমিক রেখার নিচে কোনো বিন্দুর দিকে দৃষ্টিরেখার সাথে অনুভূমিক রেখার যে কোণ উৎপন্ন হয়, তাকে অবনতি কোণ বলে।
৩উচ্চতা নির্ণয়ের সমস্যায় কোন ত্রিকোণমিতিক অনুপাত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তর দেখো
tan (ট্যানজেন্ট) অনুপাত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
৪৩০ মিটার দূরত্বে উন্নয়ন কোণ ৪৫° হলে বস্তুর উচ্চতা কত?
উত্তর দেখো
tan45° = 1, সুতরাং উচ্চতা = ৩০ মিটার।
৫দূরত্ব ও উচ্চতার সমস্যায় সাধারণত কোন ধরনের ত্রিভুজ বিবেচনা করা হয়?
উত্তর দেখো
সমকোণী ত্রিভুজ বিবেচনা করা হয়।

অধ্যায় ১১: বীজগণিতীয় অনুপাত ও সমানুপাত

১অনুপাত কাকে বলে?
উত্তর দেখো
একই জাতীয় দুটি রাশির তুলনাকে অনুপাত বলে।
২সমানুপাত কাকে বলে?
উত্তর দেখো
দুটি অনুপাত পরস্পর সমান হলে তাদের সমানুপাত বলে।
৩a : b = c : d হলে ad = কত?
উত্তর দেখো
ad = bc (মধ্যপদের গুণফল = প্রান্তীয় পদের গুণফল)।
৪মধ্য সমানুপাতী কাকে বলে?
উত্তর দেখো
a : b = b : c হলে b-কে a ও c-এর মধ্য সমানুপাতী বলে।
৫যৌগিক অনুপাত কাকে বলে?
উত্তর দেখো
দুই বা ততোধিক অনুপাতের পূর্ববর্তী পদগুলোর গুণফল ও পরবর্তী পদগুলোর গুণফলের অনুপাতকে যৌগিক অনুপাত বলে।

অধ্যায় ১২: দ্বিচরবিশিষ্ট সরল সহসমীকরণ

১সহসমীকরণ সমাধানের দুটি পদ্ধতির নাম লেখো।
উত্তর দেখো
প্রতিস্থাপন পদ্ধতি এবং অপনয়ন পদ্ধতি।
২x+y=10 এবং x−y=2 হলে x ও y নির্ণয় করো।
উত্তর দেখো
দুটি সমীকরণ যোগ করে: 2x=12 ⇒ x=6; তাহলে y=4।
৩লেখচিত্রে দুটি সরলরেখা একটি বিন্দুতে ছেদ করলে কী বোঝায়?
উত্তর দেখো
এটি বোঝায় যে সহসমীকরণ জোড়ার একটি অনন্য (একক) সমাধান আছে।
৪দুটি সরলরেখা পরস্পর সমান্তরাল হলে সহসমীকরণের কী ঘটে?
উত্তর দেখো
সহসমীকরণ জোড়ার কোনো সমাধান থাকে না।
৫সহসমীকরণের সমাধান লেখচিত্রে কী নির্দেশ করে?
উত্তর দেখো
সমাধান লেখচিত্রে দুটি সরলরেখার ছেদবিন্দুর স্থানাংক নির্দেশ করে।

অধ্যায় ১৩: সসীম ধারা

১সমান্তর ধারার সাধারণ পদের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
n-তম পদ, tₙ = a + (n−1)d, যেখানে a প্রথম পদ ও d সাধারণ অন্তর।
২সমান্তর ধারার প্রথম n পদের সমষ্টির সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
Sₙ = n/2 [2a + (n−1)d]
৩গুণোত্তর ধারার সাধারণ পদের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
n-তম পদ, tₙ = arⁿ⁻¹, যেখানে a প্রথম পদ ও r সাধারণ অনুপাত।
৪গুণোত্তর ধারার সাধারণ অনুপাত কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
উত্তর দেখো
কোনো পদকে তার পূর্ববর্তী পদ দিয়ে ভাগ করে সাধারণ অনুপাত নির্ণয় করা হয় (r = tₙ/tₙ₋₁)।
৫2, 4, 6, 8, … ধারার ১০ম পদ কত?
উত্তর দেখো
tₙ = a+(n−1)d = 2+(10−1)2 = 20

অধ্যায় ১৪: অনুপাত, সদৃশতা ও প্রতিসমতা

১সদৃশ ত্রিভুজ কাকে বলে?
উত্তর দেখো
যে দুটি ত্রিভুজের অনুরূপ কোণগুলো সমান এবং অনুরূপ বাহুগুলো সমানুপাতিক, তাদের সদৃশ ত্রিভুজ বলে।
২সর্বসম ও সদৃশ ত্রিভুজের পার্থক্য কী?
উত্তর দেখো
সর্বসম ত্রিভুজ আকারে ও মাপে সম্পূর্ণ সমান হয়; সদৃশ ত্রিভুজ আকারে সমান হলেও মাপে ভিন্ন হতে পারে (বাহুগুলো সমানুপাতিক)।
৩মধ্যমা উপপাদ্য (মিড-পয়েন্ট থিওরেম) কী বলে?
উত্তর দেখো
ত্রিভুজের দুই বাহুর মধ্যবিন্দু সংযোগকারী রেখাংশ তৃতীয় বাহুর সমান্তরাল এবং তার দৈর্ঘ্যের অর্ধেক।
৪প্রতিসমতা (Symmetry) কাকে বলে?
উত্তর দেখো
কোনো চিত্রকে একটি রেখা বা বিন্দুর সাপেক্ষে ভাঁজ করলে বা ঘোরালে যদি তার দুই অংশ একে অপরের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়, তাকে প্রতিসমতা বলে।
৫বর্গক্ষেত্রের প্রতিসাম্য রেখার সংখ্যা কত?
উত্তর দেখো
বর্গক্ষেত্রের প্রতিসাম্য রেখা সংখ্যা ৪টি।

অধ্যায় ১৫: ক্ষেত্রফল সম্পর্কিত উপপাদ্য ও সম্পাদ্য

১একই ভূমি ও একই সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের মধ্যে অবস্থিত ত্রিভুজগুলোর ক্ষেত্রফল কেমন হয়?
উত্তর দেখো
এদের ক্ষেত্রফল পরস্পর সমান হয়।
২একই ভূমি ও একই সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের মধ্যে অবস্থিত সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?
উত্তর দেখো
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ।
৩সম্পাদ্য কাকে বলে?
উত্তর দেখো
যে জ্যামিতিক গঠন যন্ত্রের সাহায্যে অঙ্কন করে দেখাতে হয়, তাকে সম্পাদ্য বলে।
৪ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা।
৫একই ভূমি ও একই সমান্তরাল রেখাদ্বয়ের মধ্যে অবস্থিত সামান্তরিকদ্বয়ের ক্ষেত্রফল কেমন?
উত্তর দেখো
এদের ক্ষেত্রফল পরস্পর সমান।

অধ্যায় ১৬: পরিমিতি

১ঘনকের আয়তনের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
ঘনকের আয়তন = a³ (a = বাহুর দৈর্ঘ্য)।
২আয়তঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফলের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 2(lb + bh + hl), যেখানে l=দৈর্ঘ্য, b=প্রস্থ, h=উচ্চতা।
৩বৃত্তাকার চোঙের আয়তনের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
চোঙের আয়তন = πr²h।
৪গোলকের আয়তনের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
গোলকের আয়তন = (4/3)πr³।
৫শঙ্কুর আয়তনের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
শঙ্কুর আয়তন = (1/3)πr²h।

অধ্যায় ১৭: পরিসংখ্যান

১গড় নির্ণয়ের সূত্র লেখো।
উত্তর দেখো
গড় = উপাত্তগুলোর সমষ্টি ÷ উপাত্তের সংখ্যা।
২মধ্যক কাকে বলে?
উত্তর দেখো
উপাত্তগুলোকে ক্রমান্বয়ে (ছোট থেকে বড়) সাজালে মধ্যবর্তী যে মান পাওয়া যায়, তাকে মধ্যক বলে।
৩প্রচুরক কাকে বলে?
উত্তর দেখো
কোনো উপাত্তসারিতে যে মান সবচেয়ে বেশি বার দেখা যায়, তাকে প্রচুরক বলে।
৪পরিমিত ব্যবধান কী পরিমাপ করে?
উত্তর দেখো
পরিমিত ব্যবধান উপাত্তগুলোর গড় থেকে বিচ্ছুরণ বা বিস্তারের পরিমাণ পরিমাপ করে।
৫শ্রেণিব্যাপ্তি কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
উত্তর দেখো
শ্রেণিব্যাপ্তি = শ্রেণির ঊর্ধ্বসীমা − শ্রেণির নিম্নসীমা।
↑